নিহত পর্বতারোহী ও স্কুলশিক্ষক রেশমা নাহারকে ধাক্কা দেয়া মাইক্রোবাস চালক মো. নাইমকে দুইদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছে আদালত।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে এই আদেশ দেন।
শেরেবাংলা নগর থানার এসআই (মামলার তদন্ত কর্মকর্তা) মোবারক আলী আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে জানান, আসামি নাইমের গাড়ি সেদিন রেশমা আক্তারকে ধাক্কা দেয়। সেদিন নাইমের গাড়ির মাধ্যমে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিষয়টি বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিশ্চিন্ত হওয়া গেছে। এবং গাড়িটিকেও জব্দ করা হয়েছে। মামলার আলামত হিসেবে গাড়ির পেছনের ভেঙ্গে যাওয়া বাম্পার উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনার পেছনে নাইমের উদ্দেশ্য কি! তা জানার জন্য তাঁকে রিমান্ডে নেয়ার শুনানি মেনে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। নাইমের রিমান্ড আবেদন্ড নাকচ করে জামিনের আবেদন করে শুনানির সময়।
গতকাল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২০) দুপুরে রাজধানীর ইব্রাহিমপুরের ভাড়া বাসা থেকে রেশমাকে ধাক্কা দেয়ার অভিযোগে নাইমকে আটক করা হয়। গাড়ির নম্বর (ঢাকা মেট্রো চ ১৫৩৬৮৫)।রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানের পাশে লেক রোডে আগস্ট মাসের ৭ তারিখে বাইসাইকেলে আরোহী রেশমা নাহার এর একটি মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মৃত্যু হয়। মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে এ ঘটনার মামলা করেন।
রেশমার বিষয়ে কিছু কথাঃ রেশমা নাহার রাজধানীর আইয়ুব আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্থানীয় বাড়ি ছিল নড়াইলে এবং তিনি থাকতেন ঢাকার মিরপুরে। পাশাপাশি তিনি ছিলেন পর্বতারোহী। যা তাঁকে তাঁর সুনাম অর্জনে নিয়ে গেছে আর এক ধাপ আগে। তিনি নিয়মিত বাইসাইকেল ও চালাতেন।
আসামির বিষয়ে কিছু কথাঃ নাইমের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করেছেন। তাঁর চালানো গাড়িটি ছিল ব্যক্তিমালিকানাধীন। একটি কোম্পানিকে সেটা ভাড়া দেয়া হয়, যার অধীনে নাইম গাড়ি চালিয়েছেন।
সূত্রঃ প্রথম আলো।