Movie: Anjam Pathira (পঞ্চম মধ্যরাত্রি)

Movie Name: Anjam Pathira(পঞ্চম ক্রাইম & সাইকোলজিক্যাল থৃলার

Industry: সাউথ ইন্ডিয়ান (মালায়লাম)

Language: মালায়লাম

My Rating: ৮/১০

জানিনা মালায়লাম ইন্ডাস্ট্রি এর আগে এরকম কোনো মুভি বানিয়েছে কিনা। তবে তারা তাদের চিরাচরিত ড্রামা ঘরানা থেকে বেরিয়ে এসে এমন দারুণ একটা থৃলার মুভি বানিয়েছে যা ছিল জাস্ট মাইন্ড ব্লোয়িং। তামিল ইন্ডাস্ট্রির রাতসাসানের পর আরো একবার আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল এই মুভিটা দেখার সময়।

মুভির প্লট হচ্ছে প্রতিদিন মধ্যরাতে একজন করে পুলিশ অফিসার খুন হয়ে যাচ্ছে কোনো প্রকার ক্লু না রেখেই। এর মধ্যেই দৃশ্যপটে উপনীত হয় কেরালা(ভারতের একটি রাজ্য) পুলিশ। আনোয়ার (লিড রোল) একজন সাইকোলজিস্ট। মুভিটিতে সে এই কেইস সমাধানের ব্যাপারে যেভাবে দৌড়াচ্ছিল মনে হবে যেন তার সাথে সাথে আপনিও দৌড়াচ্ছেন এবং প্রতিটা পুলিশ মার্ডার হওয়ার সাথে সাথে আনোয়ার যখন ইনভেস্টিগেশনে করছিল মনে হবে আপনিও ইনভেস্টিগেট করছেন।

যাইহোক, মুভির কাহিনীতে আসা যাক। শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত পুলিশের পুরো টিম তদন্ত করে খুনীর টিকিটিও নড়াতে না পেরে ভীষণভাবে নাকানিচুবানি খেয়ে এক প্রকার হাল ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে তদন্তে থাকা পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে নয়-ছয় বুঝ দিয়ে কেইসটি ক্লোজ করার সিদ্ধান্ত নেয় কারণ, তারা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছিল জনগণের দ্বারা। আর সমালোচনা হওয়াটাই স্বাভাবিক। যেখানে পুলিশের নিজের জীবনই নিরাপদ না সেখানে তারা জনগণের জীবনের নিরাপত্তা দিবে কিভাবে? কিন্তু আনোয়ারের বিচক্ষণতায় সামান্য একটা সূত্র ধরে খুনী পর্যন্ত পৌঁছাতে এবং তাকে ধরতে সক্ষম হয় পুলিশ। এভাবেই সাইকোলজির প্রফেসর আনোয়ার হয়ে ওঠে একজন গোয়েন্দা। কারণ, একজন সাইকোলজিস্ট খুব সহজেই একজন অপরাধীর সাইকোলজি পড়তে পারেন। আনোয়ার যখন খুনীর পরিচয় উদঘাটন করতে পারে তখন আনোয়ারের পিলে চমকে যায়। কারণ, আনোয়ারের শিক্ষাজীবনে আনোয়ারের সেই খুনীর ব্যাপক একটা প্রভাব ছিল। বাকিটা আপনারা মুভিতেই দেখে নিবেন।

পরিশেষে বলব অন্যান্য থৃলার মুভিতে খুনী/কনভিক্টকে অনুমান করা গেলেও এই মুভিতে অনুমান করা যাচ্ছিলনা। এটাই “আঞ্জাম পাথিরা” বা বাংলা ভাষায় “পঞ্চম মধ্যরাত্রি” মুভিটির বৈশিষ্ট্য। যা মুভিটিকে অন্যান্য থৃলার থেকে আলাদা করেছে। এক কথায় অসাধারণ একটা মুভি। শেষটা আরেকটু ভাল করা যেত। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *