মুভি রিভিউ : Harry Potter and the chamber of secrets (2002)

মুভি রিভিউ : Harry Potter and the chamber of secrets (2002) ২য় পর্ব
Genre : Adventure|Family|Fantasy
IMDB : 7.4
||
প্রথম পর্ব philoshoper’s stone মীমাংসার
পর ২য় পর্বে দেখা যায় হ্যারি,রন,হারমনি তাদের জাদু স্কুলের ২য় বছর শুরু করার জন্য হগওয়ার্টে আসে। সেখানে এসে তারা আবারও নানা রকম এডভেঞ্চারে জড়িয়ে পড়ে। তারা জানতে পারে চেম্বার অফ সিক্রেট বহু বছর পর আবারও খোলা হয়েছে। কিন্তু কেউ জানেনা চেম্বারটি কোথায়। না স্কুল শিক্ষকরা,না কর্মচারীরা, না ছাত্ররা। সবাই এক রকম ভয়ের মধ্যে দিন কাটাতে থাকে।

এর মধ্যেই জানা যায় হিংস্র কিছু একটা বের হয়েছে সেখান থেকে।এমনি যে কেও যদি এর চোখের দিকে সরাসরি তাকায় সে মারা যাবে, কিন্তু কাঁচ বা অন্য কোন কিছুর মাধ্যমে দেখলে বা শুধু প্রতিবিম্ব দেখলে স্ট্যাচু হয়ে যাবে। ছাত্রদের ভয়ের মাত্রা বাড়লো যখন অনেক ছাত্রকে স্কুলে এই অবস্থায় পাওয়া যায়। সবাই দলে দলে স্কুল ত্যাগ করতে লাগলো। ইতোঃমধ্যে হ্যারির বন্ধু হারমনিআও এর দ্বারা আক্রান্ত হলো। কিন্তু তার আগে হারমনি চেম্বার অফ সিক্রেট কোথায় থাকতে পারে তা সম্পর্কে জানতে পারে। হ্যারি হারমনির হাতের মুঠো থেকে কাগজটি নিয়ে জানতে পারে চেম্বারের অবস্থান। সে আর রন সেই হিংস্রতা ঠেকানোর জন্য রওনা দেয়। ঘটনা আরও খারাপ হয় যখন জানা যায় রনের বোন জিনিকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। হ্যারি হারমনির নির্দেশ মত স্লিদারিন হাউজের ওয়াশরুমের সামনে এ যায়। সেখানে গিয়ে চেম্বার অফ সিক্রেট এর প্রবেশ পথ সে আবিষ্কার করে। দরজাটি খোলার জন্য দরকার পার্সেলটাং। যা হগয়োর্টের ইতিহাসে শুধুমাত্র স্লিদাইন আর ভোল্ডামর্ট পারত। হ্যারি একজন গ্রিফিন্ডর হওয়ায় তার জন্য পার্সেলটাং অসম্ভব ছিল। কিন্তু ভোল্ডামর্ট তাকে হত্যা করার সময় যে মারন জাদু ছুড়ে মেরেছিল, সেটি সে বিষ্ময়কর ভাবে প্রতিহত করায় তার মাঝে ভোল্ডামর্টের কিছু শক্তি চলে আসে। যার মধ্যে পার্সেলটাং বা সাপের ভাষা অন্যতম। সে আর রন চেম্বারে ঢুকে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রন পিছে পড়ে যায় এবং হ্যারি একাই সেই ভয়াবহ চেম্বার প্রবেশ করে। সেখানে তার জন্য অপেক্ষা করছিল জিনির অজ্ঞান দেহ আর………… ভোল্ডামর্ট।
||

আগের ছবির মতই এটিও বক্স অফিসে ঝড় তোলে। মাত্র ১০০ মিলিওন মার্কিন ডলারে নির্মিত ছবিটি সবমিলিয়ে আয় করে ৮৭৯ মিলিওন মার্কিন ডলার। যা বিশ্বের আয়ের দিক থেকে ২৪তম Highest Grossing ফিল্ম । অন্যদিকে হ্যারি পটার সিরিজের এর অবস্থান ৭ম Highest Grossing ফিল্ম । যথারীতি এই ছবিও বক্স অফিসের বেশ কিছু রেকর্ড ভাঙ্গে। ১ম সপ্তাহে মুভিটি আয় করে ৮৮.৯ মিলিওন মার্কিন ডলার। যা তৎকালীন আমেরিয়াকান বক্স অফিসের ৩য় সর্বোচ্চ। এছাড়াও মুভিটি ব্রিটিশ বক্স অফিসে আয়ের দিক থেকে তৎকালীন ১ম স্থানটি দখল করে বসে। ছবিটি বেশ কিছু পুরষ্কারও লাভ করে তার মধ্যে BAFTA ২০০৩ পুরষ্কারের জন্য মনোনয়ন ছবিটির অন্যতম সাফল্য।

2 thoughts on “মুভি রিভিউ : Harry Potter and the chamber of secrets (2002)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *